শফিকুর রহমান –
ঈদের দ্বিতীয় দিনে কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতে লাখো পর্যটকের ঢল নেমেছে। দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা দর্শনার্থীরা সৈকতের বালিয়াড়িতে ভিড় জমিয়ে উপভোগ করছেন নীল সমুদ্রের উত্তাল ঢেউ আর মনোরম পরিবেশ।
রাজধানী ঢাকা থেকে পরিবার নিয়ে ঘুরতে আসা রফিকুল ইসলাম বলেন, “কক্সবাজারে আসলেই ঈদের আনন্দ দ্বিগুণ হয়ে যায়। সমুদ্রের সৌন্দর্য উপভোগ করতে আমরা প্রতিবছরই এখানে আসার চেষ্টা করি।”
শুধু দেশীয় নয়, বিদেশি পর্যটকরাও কক্সবাজারের অপরূপ সৌন্দর্য উপভোগ করছেন। বিচ বাইক, ঘোড়ার গাড়ি

ঈদের আনন্দে সাগরপাড়ে জনস্রোত, পর্যটকে মুখরিত কক্সবাজার সৈকত
, প্যারাসেইলিং, স্পিডবোট রাইডসহ নানা রোমাঞ্চকর কার্যক্রমে মেতে উঠেছেন তারা।
লাখো পর্যটকের ভিড় সামলাতে প্রশাসনের পক্ষ থেকে নেওয়া হয়েছে বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা। কক্সবাজার ট্যুরিস্ট পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রেজাউল করিম জানান, “পর্যটকদের নিরাপত্তায় অতিরিক্ত টুরিস্ট পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। পাশাপাশি, সমুদ্রস্নানে পর্যবেক্ষণ রাখতে লাইফগার্ড টিমও কাজ করছে।”
পর্যটকদের ভিড়ে কক্সবাজারের হোটেল-মোটেলগুলো প্রায় পূর্ণ হয়ে গেছে। পাশাপাশি, সৈকতসংলগ্ন ব্যবসায়ীদের ব্যস্ততাও বেড়েছে। দোকানি জসিম উদ্দিন বলেন, “ঈদের মৌসুম আমাদের ব্যবসার জন্য সবচেয়ে ভালো সময়। এবারও পর্যটকের চাপ ভালো থাকায় বিক্রি বেড়েছে।”
কক্সবাজার জেলা প্রশাসন ও পরিবেশবিদরা সৈকতের পরিবেশ সুরক্ষায় পর্যটকদের প্লাস্টিক ও আবর্জনা নির্দিষ্ট স্থানে ফেলতে অনুরোধ করেছেন।
সাগরপাড়ে উচ্ছ্বাসে ভরপুর এই মিলনমেলায় ঈদের আনন্দ হয়ে উঠেছে আরও রঙিন ও প্রাণবন্ত।