জামায়াতে ইসলামী সবসময় মহান স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ধারণ করে বলে মন্তব্য করেছেন দলের সেক্রেটারি জেনারেল অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার। তিনি বলেন, “জামায়াতে ইসলামের সদস্য হতে হলে দেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্বের প্রতি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ থাকতে হয়।”
মঙ্গলবার (২৬ মার্চ) ঢাকা মহানগরী দক্ষিণ জামায়াত আয়োজিত মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবসের আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, “জামায়াত ১৯৭১-এর ঘটনাকে কখনো ভুলে যায়নি। যারা তখন অখণ্ড পাকিস্তানের পক্ষে ছিলেন, তাদের অনেকেই পরবর্তীতে প্রেসিডেন্ট, মন্ত্রী-এমপি হয়েছেন। কিন্তু তাদের পুনর্বাসন জামায়াত করেনি।”
তিনি আরও বলেন, “জামায়াতকে সঙ্গে নিয়ে আন্দোলন করা যায়, কিন্তু স্বার্থ ফুরালেই জামায়াতকে ‘জঙ্গিবাদী দল’ বলা হয়। ১৯৭১ সালের বিষয়ে শেখ মুজিবের সময়েই মীমাংসা হয়েছিল, কিন্তু কিছু মহল রাজনৈতিক স্বার্থে এই মীমাংসিত বিষয়গুলো নতুন করে সামনে আনে।”
যুদ্ধাপরাধ ও বিচার প্রসঙ্গে তিনি দাবি করেন, “নিজামিসহ জামায়াত নেতারা কোনো যুদ্ধাপরাধ করেননি। তারা কোনো বাহিনীর সদস্য ছিলেন না, বরং রাজনৈতিক নেতা ছিলেন। তাদের উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে যুদ্ধাপরাধী বানানো হয়েছে, আর এর মাধ্যমে দেশকে বিভক্ত করা হয়েছে।”
নির্বাচন প্রসঙ্গে জামায়াতের অবস্থান নিয়ে পরওয়ার বলেন, “প্রয়োজনীয় সংস্কার শেষে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার যখন নির্বাচন দেবে, জামায়াতে ইসলামী তাতে অংশ নেবে। তবে বিচারকাজ অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের অধীনেই শেষ করতে হবে। কোনোরকম তাড়াহুড়ো না করে উপযুক্ত পরিবেশ নিশ্চিত করতে হবে।”
তিনি আরও বলেন, “জুলাই হত্যাকাণ্ডের মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচারসহ সামগ্রিক সংস্কার নিশ্চিত করে নির্বাচন হওয়া প্রয়োজন।”
এখন কেমন লাগছে? চাইলে আরও কিছু পরিবর্তন বা ফাইন টিউন করা যাবে! 📰🔥